Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

সপ্তাহজুড়ে প্রকাশিত হতে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ইভেন্টের আগে ট্রেডারদের মধ্যে স্বাভাবিক সতর্কতা দেখা যাচ্ছে। সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা নিয়ে আলোচনা ভেস্তে যায়, ফলে মার্কিন ডলারের দর শুক্রবারের দুর্বলতা ধরে রেখে আরও কমে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মন্তব্য ডলারের দর এবং মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ডে আরও পতন ঠেকায়।
এর ফলে EURUSD ও USDJPY স্পষ্ট দিকনির্দেশনা খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে। তেলের দুর্বল দাম উপেক্ষা করে USDCAD সামান্য বিক্রির চাপে রয়েছে। এদিকে, আগের দিনের পুনরুদ্ধারের গতি হারাচ্ছে সোনা। আর চীন-সম্পর্কিত খবরের কারণে G10 মুদ্রাজোড়াগুলোর মধ্যে AUDUSD সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে।
এদিকে, সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে RBNZ-এর পরিকল্পনা নিয়ে ট্রেডারদের মধ্যে মতভেদ থাকায় NZDUSD-এর ওপরও চাপ রয়েছে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের শেয়ারের দাম সামান্য বেড়েছে, তবে সর্বশেষ তথ্যে মার্কিন স্টক ফিউচারসে সামান্য লোকসান দেখা গেছে।
ক্রিপ্টোর কথা বলতে গেলে, BTCUSD-ও 100-DMA থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং সপ্তাহজুড়ে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর ETHUSD সামান্য বেড়েছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



সোমবারের শুরুতে ট্রেডারদের বেশিরভাগই নিষ্ক্রিয় থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের ডিফল্ট এড়ানো এবং অর্থনৈতিক রূপান্তরের আশা তাদের সতর্ক আশাবাদী থাকতে সাহায্য করছে। তবুও, যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং চীনের পুনরুদ্ধার অনিশ্চিত—এমন আশঙ্কা AUDUSD-এর দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, বিশেষ করে RBA-এর ডোভিশ সুদহার বৃদ্ধির পর।
অন্যদিকে, জুনের শুরুতে নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ইতিবাচক সমাধানের আশা করলেও, মার্কিন ঋণসীমা নিয়ে আলোচনা অনিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে। সাম্প্রতিক মিশ্র ফেড-সংক্রান্ত বক্তব্যের সঙ্গে এই পরিস্থিতিও মার্কিন ডলারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ট্রেডারদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। তবে ইতিবাচক মার্কিন ডেটা এবং সুদের হারের ফিউচার ডলারের দরপতন সীমিত করছে।
অন্যদিকে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে মিশ্র মনোভাব দুই সপ্তাহের দরপতনের পর Gold বিক্রেতাদের চাপে ফেলছে এবং তেলের দামের ওপরও নিম্নমুখী চাপ তৈরি করছে। তবে মনে রাখা দরকার, ইয়েনের ঐতিহ্যগত নিরাপদ আশ্রয়স্থলের মর্যাদার কারণে ইয়েন ধীরে ধীরে শক্তিশালী হচ্ছে, যদিও বন্ডের ইল্ড USDJPY-এর দরপতন সীমিত করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ঋণখেলাপি এবং কঠোর নিয়মকানুনের আশঙ্কার মধ্যে BTCUSD ও ETHUSD সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ক্যালেন্ডারে বড় কোনো ডেটা বা ইভেন্ট না থাকা এবং কানাডায় ব্যাংক ছুটি থাকায়, বিশ্ববাজারে সোমবারের লেনদেন ধীর হতে পারে। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের ঋণখেলাপির আশঙ্কা এবং ফেডের আলোচনা ট্রেডারদের আগ্রহী করে তুলতে পারে। ঋণসীমা বাড়ানোর বিষয়ে আরও এক দফা আলোচনায় বসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও হাউস স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!