Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

আগের দিনগুলোতে মার্কিন ডলারের দরপতনের কারণ হওয়া ফেডের নীতিগত মোড় আসন্ন—এমন ধারণা নিশ্চিত করার মতো আরও ইঙ্গিতের অপেক্ষায় বাজারে ডলারের বিপরীতে সাপ্তাহিক দরচলন স্থিতিশীল হচ্ছে। চীনকে ঘিরে মিশ্র খবর এবং বন্ড ইল্ডের সংশোধনমূলক উত্থানের মধ্যে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা কিছুটা দুর্বল বলে মনে হচ্ছে।
এর ফলে, 15 মাসের সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে USD ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং EURUSD-এর বুলিশ ট্রেডারদের পরীক্ষা করছে—যুগলটি 2022 সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। সতর্ক মনোভাব ও USD-এর সংশোধনমূলক উত্থানের পাশাপাশি, জুনে ইউরোজোনের কোর মূল্যস্ফীতির দুর্বল পরিসংখ্যানও কয়েক মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ইউরোর বুলিশ ট্রেডারদের থামিয়ে দিয়েছে।
এদিকে, G10 মুদ্রাগুলোর মধ্যে মার্কিন ডলারের বিপরীতে AUDUSD ও NZDUSD-এর দর সবচেয়ে বেশি কমেছে। IMF চীনের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি মন্থর হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে এবং আরও প্রণোদনার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি, বন্ডের ইল্ড অনুসরণ এবং জাপানের মাঝারি গুরুত্বের দুর্বল অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশের পর USDJPY মাসিক সর্বনিম্ন স্তর থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানির চাহিদার পূর্বাভাস অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা নতুন করে জাগিয়ে তোলায়, এক মাসের সর্বোচ্চ স্তর থেকে গোল্ডের দাম এবং একইভাবে ক্রুড অয়েলের দামও ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজার নিয়ে ইতিবাচক খবরের মধ্যে ETHUSD চার মাসের মধ্যে এক দিনে হওয়া সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধির কিছুটা হারিয়েছে। এদিকে, BTCUSD 13 মাসের সর্বোচ্চ স্তর থেকে কিছুটা নেমেছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



টানা সাত দিন দরপতনের পর মার্কিন ডলারের ব্যাপক দরপতন থেমেছে; এই পতনে ডলার কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। তবে, মূল্যস্ফীতির চাপ কমে আসায় ফেড আগেভাগেই কঠোর মুদ্রানীতি থেকে সরে আসতে পারে—এই উদ্বেগে সপ্তাহজুড়ে মার্কিন ডলার দুর্বল হয়েছে। এতে জুলাইয়ের শেষ দিকে ফেডের সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে, আজ প্রকাশিতব্য ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের কনজিউমার কনফিডেন্স ইনডেক্স ও মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশার পরিসংখ্যানের আগে সতর্ক মনোভাব এবং চীন-সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ ডলারের পুনরুদ্ধারকে সমর্থন করছে। এ ছাড়া, মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড স্থির থাকা এবং ফেড গভর্নর ওয়ালারের কড়া মন্তব্যও ডলারের পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রেখেছে।
অন্যদিকে, US SEC-এর বিরুদ্ধে Ripple-এর আংশিক জয় ক্রিপ্টো বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে এবং আগের দিন BTCUSD ও ETHUSD-কে ঊর্ধ্বমুখী করেছে। ইউরোপীয় ETF প্রাথমিক বাধাগুলো কাটিয়ে উঠেছে এবং ক্রিপ্টো বাজারে আরও অর্থপ্রবাহের জন্য প্রস্তুত—এমন খবর আশাবাদকে আরও জোরালো করেছে।
জুনের ইউরোপীয় ইউনিয়নের চূড়ান্ত মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে কম আসার পর, বাজারের অংশগ্রহণকারীরা স্পষ্ট দিকনির্দেশনার জন্য ইউরোপীয় কমিশনের অর্থনৈতিক পূর্বাভাস সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করবেন—বিশেষ করে EURUSD-এর ক্ষেত্রে। এরপর, জুলাইয়ের শেষের FOMC বৈঠকের আগে শেষ সুযোগ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাকেন্দ্রিক তথ্যের দিকে নজর থাকবে।
সব মিলিয়ে, সতর্ক মনোভাব মার্কিন ডলারকে সাম্প্রতিক কিছু লোকসান পুষিয়ে নিতে সাহায্য করতে পারে। তবে নির্ধারিত পরিসংখ্যান জুলাইয়ের পর সুদের হার আর বাড়বে না—এমন প্রত্যাশাকে দুর্বল না করলে ডলারের পুনরুদ্ধার অধরাই থাকতে পারে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!