Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

গত সপ্তাহের শেষটা ইতিবাচকভাবে কাটলেও, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানের দুর্বল তথ্যের কারণে Fed-এর কঠোর পদক্ষেপের আশঙ্কা কমেছিল। তবে, চীনের মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান মূল্যহ্রাসের ইঙ্গিত দেওয়ায় সোমবারের শুরুর দিকে ট্রেডিংয়ের মনোভাব খারাপ হয়। বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতির হতাশাজনক পরিসংখ্যানের কারণে মন্দার আশঙ্কা আবার বাজারের নজর কাড়ে এবং মার্কিন ডলারের পুনরুদ্ধার শুরু হয়। একই সঙ্গে তেলের দামের ওপরও চাপ পড়ে।
তবে, USD তিন সপ্তাহের মধ্যে হওয়া দিনের সর্বোচ্চ দরপতনের কিছুটা পুষিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে, টানা দুই সপ্তাহ বৃদ্ধির পর ব্রেন্ট তেল দেড় মাসের সর্বোচ্চ স্তর থেকে নেমে এসেছে। চীনের দুর্বল পরিস্থিতি ও নেতিবাচক বাজার-মনোভাবও AUDUSD এবং NZDUSD-এর দরকে চাপে ফেলেছে। পাশাপাশি, মার্কিন ডলারের শক্তি, বাড়তে থাকা ইল্ড এবং BoJ-এর বন্ড মার্কেটের কার্যক্রমের প্রভাবে G10 মুদ্রাজোড়াগুলোর মধ্যে USDJPY সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।
এদিকে, সোনার দামও আগের দিনের লাভ ধরে রেখেছে। অন্যদিকে, সর্বশেষে EURUSD ও GBPUSD-তে সামান্য দরপতন হয়েছে।
অন্যদিকে, মাল্টিচেইন হ্যাকারদের নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি মার্কিন ডলারের সামগ্রিক শক্তি এবং US SEC-এর ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রক চাপের কারণে BTCUSD ও ETHUSD টানা তৃতীয় দিনের মতো দরপতনের মুখে পড়েছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



শুক্রবারের হতাশাজনক মার্কিন কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের পর জুলাইয়ের পরবর্তী সময়ের জন্য Fed-এর কড়া নীতির প্রত্যাশা কমেছে। তা সত্ত্বেও, অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কায় নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিবেচিত মার্কিন ডলার তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথম সাপ্তাহিক লোকসান কমাতে পেরেছে।
অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতির অবস্থানও তেলের চাহিদা কমে যাওয়ার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এতে বহু দিনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা ব্রেন্টের দামে নিম্নমুখী চাপ পড়ছে। যুক্তরাজ্যের জ্বালানি বেঞ্চমার্কের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (SPR) থেকে আরও বেশি তেল ছাড়ার আশঙ্কাও। তবে, তেল উৎপাদন কমাতে সৌদি আরব ও রাশিয়ার প্রস্তুতি অপরিশোধিত তেলের দামে একটি তল তৈরি করছে।
অন্যদিকে, ইয়েনের দুর্বলতা ঠেকাতে BoJ বন্ড নিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে। এতে US Dollar-এর সামগ্রিক শক্তির সঙ্গে যোগ হয়ে USDJPY-কে এগিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, মুদ্রাস্ফীতি-সংক্রান্ত সপ্তাহের শুরুটা ধীর হওয়ায় এবং US Dollar শক্তিশালী থাকায় অন্যান্য প্রধান কারেন্সি ও অ্যান্টিপোডিয়ান মুদ্রাগুলো চাপে রয়েছে।
ক্রিপ্টোকারেন্সির কথা বলতে গেলে, মাল্টিচেইন হ্যাকারদের কারণে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। এর ফলে BTCUSD ও ETHUSD-এর মতো শীর্ষস্থানীয় ক্রিপ্টোকারেন্সি পেয়ারগুলোর ওপর চাপ পড়ছে।
সামনে, Bank of England (BoE)-এর গভর্নর Andrew Bailey-এর বক্তৃতা দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। তবে মূল নজর থাকবে US CPI এবং UoM Consumer Confidence-এর দিকে। সব মিলিয়ে, এ সপ্তাহের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট রয়েছে বলে মনে হচ্ছে, যা US Dollar-কে সাম্প্রতিক ক্ষতির কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে পারে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!