
তিন মাসের সাপোর্ট লেভেল থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পর দিনের শুরুতে হওয়া লাভ ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে GBPUSD। নিম্নমুখী গতি জোরালো হওয়ায়, আসন্ন ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (FOMC) বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে ইঙ্গিত পেতে ট্রেডাররা সতর্ক নজর রাখছেন।
পাউন্ড স্টার্লিং 12 সপ্তাহ ধরে থাকা সাপোর্ট জোন থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর গতি ধরে রাখতে পারছে না। MACD-এর বিয়ারিশ সংকেত এবং RSI (14)-এর দুর্বল অবস্থান নেতিবাচক মনোভাবকে আরও জোরালো করছে। এ ছাড়া, গত সপ্তাহে বিয়ারিশ রাইজিং ওয়েজ প্যাটার্নের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় GBPUSD বিক্রেতাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে, যা আরও নিম্নমুখী চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বর্তমানে GBPUSD বাজারে বিক্রেতারা প্রাধান্য বিস্তার করছেন। তবে 1.3085-এর কাছাকাছি 50-day SMA আরও দরপতনের পথে তাৎক্ষণিক বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ঠিক নিচে 1.3060-1.3040-এর কাছাকাছি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট রয়েছে। এই স্তরগুলো ভেঙে গেলে 1.2935 ও 1.2780-এ থাকা 100-day এবং 200-day SMA বিক্রেতাদের পরীক্ষা করতে পারে। এরপর দাম বিয়ারিশ প্যাটার্নের তাত্ত্বিক লক্ষ্য 1.2450-এর দিকে যেতে পারে।
GBPUSD-তে সংশোধনমূলক ঊর্ধ্বমুখী প্রত্যাবর্তন বিশ্বাসযোগ্যতা পাবে বলে মনে হয় না, যতক্ষণ না দাম ওয়েজের নিচের রেখা ভেঙে 1.3280-এর ওপরে ওঠে। তবে তাৎক্ষণিক রেজিস্ট্যান্সের স্তর 1.3100 ও 1.3200-এ। দাম 1.3280-এর ওপরে থাকলে, ক্রেতারা প্রায় 1.3435-এর বার্ষিক সর্বোচ্চ স্তর এবং 1.3510-এর কাছাকাছি ওয়েজের ওপরের রেখা লক্ষ্য করতে পারেন।
বেয়ারিশ টেকনিক্যাল সংকেত এবং আগের মাসের ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে মার্কিন ডলারের শক্ত অবস্থানে ফেরার সম্ভাবনা বিবেচনায়, GBPUSD পেয়ারটির আরও দরপতন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিবাচক অর্থনৈতিক তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভের কড়া নীতির ঝোঁক ডলারকে সমর্থন করছে। তবে আজকের ফেড মিনিটস এবং বৃহস্পতিবারের কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল হলে এই পূর্বাভাস বদলে যেতে পারে, যা মার্কিন ডলারের শক্তি কমাতে পারে।